বিমানের লোগো বা রঙগুলোকে শুকানোর সময় বিমানটিকে ক্ষতিগ্রস্ত না করাই গুরুত্বপূর্ণ। বিমানের লোগো বা রঙগুলো দ্রুত শুকানো দরকার; কিন্তু পুরো বিমানটিকে তাপ দিলে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। এখানেই শর্টওয়েভ ইনফ্রারেড (SWIR) এর ভূমিকা আসে। এর সাহায্যে আমরা নির্দিষ্ট জায়গায় তাপ প্রয়োগ করতে পারি; ফলে বিমানের অন্যান্য অংশগুলো কিছুই বুঝতে পারে না। “ফ্ল্যাশ ড্রাইং”-এর কৌশল এটা মূলত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। আমরা শর্টওয়েভ ইনফ্রারেড ব্যবহার করি; কারণ এটা রঙের ভিতরে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, আমরা রঙের ভিতরে থাকা দ্রবণগুলোকে সরাসরি লক্ষ্য করি। ব্যান্ডউইডথ ঠিক করে আমরা শক্তিটিকে ঠিক সেই জায়গায় প্রয়োগ করতে পারি। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, অ্যালুমিনিয়ামের পৃষ্ঠটি সেই তাপকে শোষণ করে না। যদি ধাতুটি খুব বেশি গরম হয়ে যায়, তাহলে প্যানেলটি বেঁকে যেতে পারে; এটা একটি ভয়ংকর পরিস্থিতি। সময়ই সবকিছু শুধুমাত্র সুইচ চাপলেই হবে না। আপনার একটি উচ্চ-ঘনত্বের ইনফ্রারেড ডিভাইস এবং নির্ভুল টাইমার দরকার। আমরা সাধারণত এগুলোকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ব্যবহার করি। যদি ল্যাম্পগুলো বেশি সময় ধরে চালু থাকে, তাহলে রঙটি পুড়ে যেতে পারে। টাইমারটি ল্যাম্পের গতির সাথে সঠিকভাবে সিঙ্ক্রোনাইজ হওয়া দরকার। আপনি চান যে রঙটি ঠিক এখনই লক্ষ্য তাপমাত্রায় পৌঁছাক; দশ সেকেন্ড পরে নয়। কিছু বিষয় মনে রাখবেন এই উচ্চ-শক্তির ল্যাম্পগুলো অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। তাই আপনার ওয়্যারিংসগুলো এই লোড সামলাতে সক্ষম কিনা তা নিশ্চিত করুন। কাজের মাঝখানে ফিউজ পচে যাওয়া কেউই চায় না। আর দয়া করে দূরত্ব মনে রাখুন। কারণ তাপ খুবই ঘনীভূত থাকে; কয়েক সেন্টিমিটারের পার্থক্যই নিখুঁত লোগো ও পুড়ে যাওয়া রঙের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে পারে। আপনার দূরত্ব সেন্সরগুলো ঠিকভাবে ক্যালিব্রেট করুন। এটা ছোট একটি পদক্ষেপ; কিন্তু এটাই অনেক সমস্যা এড়াতে সাহায্য করে।